দরুদ পাঠ

দরুদ পাঠের নির্দিষ্ট কোনো সীমা নেই

দরুদ পাঠের নির্দিষ্ট কোনো সীমা নেই

বিশিষ্ট সাহাবি হজরত উবাই ইবনে কাব (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাতের এক-তৃতীয়াংশ হলে মহানবী (সা.) উঠে দাঁড়িয়ে বলতেন, হে মানুষসকল, তোমরা আল্লাহকে স্মরণ করো। কম্পনকারী এবং তার সহযোগী (কিয়ামতের আগে শিঙ্গার ফুঁৎকার) চলে এসেছে এবং মৃত্যুও তার ভয়ংকর রূপ নিয়ে উপস্থিত হয়েছে।

মহানবী (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠের ১৫ ফজিলত

মহানবী (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠের ১৫ ফজিলত

মহানবী (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠ শুধু একটি আমল নয়, এটি আল্লাহর দরবারে বরকতের দ্বার উন্মোচন ও দোয়া কবুলের অনন্য মাধ্যম। হৃদয়ের গভীর থেকে নবীর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ জীবনে শান্তি, করুণা ও মর্যাদা বয়ে আনে। 

নবীজির ওপর দরুদ পাঠের যত ফজিলত

নবীজির ওপর দরুদ পাঠের যত ফজিলত

দরুদ শব্দটি কোরআন-হাদিসে নেই। এটি ফারসি শব্দ। তবে কোরআন-হাদিসে এর প্রতিশব্দ ও পরিভাষা হলো ‘আস-সালাতু ওয়াস সালামু আলান্নাবিয়্যি।’ অর্থাৎ নবী (সা.)-এর প্রতি সালাত ও সালাম।